২০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

আরো এলো ১ লাখ টন ডিজেল, মিটবে ৮ দিনের চাহিদা

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ওমান, মালয়েশিয়া ও ভারত থেকে এক দিনেই চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে ১ লাখ ১ হাজার টন ডিজেল। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আমদানীকৃত এই জ্বালানি দিয়ে দেশের টানা আট দিনেরও বেশি সময়ের চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে।বন্দর ও শিপিং সূত্র জানায়, সোমবার (২০ এপ্রিল) ভোররাত ২টার দিকে ওমান থেকে ৩৫ হাজার টন ডিজেল নিয়ে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী জাহাজ ‘গোল্ডেন হরাইজন’ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে নোঙর করে। এটি দিনের প্রথম চালান হিসেবে দেশে পৌঁছায়।
এর ধারাবাহিকতায় বিকেলেই আরো দুটি জাহাজ বন্দরে পৌঁছায়। এর মধ্যে মালয়েশিয়া থেকে ৩৩ হাজার টন ডিজেল নিয়ে দুপুর ২টায় জাহাজ ‘এফপিএমসি ৩০’ পৌছায়। একই সময়ে ভারত থেকে সমপরিমাণ ৩৩ হাজার টন ডিজেল নিয়ে আসছে ‘প্যাসিফিক ইন্ডিগো’ নামের অন্য একটি জাহাজ।
জ্বালানি খাতের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্য মতে, দেশে দৈনিক গড়ে ১২ হাজার ৫০০ টন ডিজেলের চাহিদা রয়েছে।সেই হিসাবে আজ আসা ১ লাখ ১ হাজার টন ডিজেল দিয়ে আট দিনেরও বেশি সময় দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা যাবে।
জাহাজগুলোর স্থানীয় এজেন্ট প্রাইড শিপিং লাইনের ম্যানেজিং পার্টনার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম জানান, সরবরাহব্যবস্থা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে দ্রুত তেল খালাসের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, আমরা আগে থেকেই লাইটার জাহাজ প্রস্তুত রেখেছি। বড় জাহাজগুলো বহির্নোঙরে ভেড়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই খালাস কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে।
তিনি আরো জানান, আমদানির এই প্রবাহ গত কয়েক দিন ধরেই অব্যাহত রয়েছে। গত শুক্রবারও ১ লাখ ৩৬ হাজার টন জ্বালানি তেল নিয়ে চারটি জাহাজ বন্দরে এসেছে, যেগুলোর খালাস কার্যক্রম এখনো চলমান।
এদিকে আগামী তিন দিনের মধ্যে দেশে জ্বালানি তেলের আরো বড় দুটি চালান পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এর মধ্যে একটি জাহাজে ৩৩ হাজার টন ডিজেল এবং অন্যটিতে ৩৪ হাজার ৬০০ টন জেট ফুয়েল (বিমানের জ্বালানি) রয়েছে বলে বন্দর সূত্রে জানা গেছে। ধারাবাহিকভাবে এই আমদানির ফলে দেশের বাজারে জ্বালানি সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরও পড়ুন