২৭শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

কেন রাজনীতি ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন মিমি?

বিনোদন ডেস্ক : টলিউডে অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতির ময়দানেও নিজের জায়গা করে নিয়েছিলেন মিমি চক্রবর্তী। ২০১৯ সালে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়ে যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হন তিনি এবং বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন।রাজনীতিতে সফল যাত্রা সত্ত্বেও ২০২৪ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি আচমকাই সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন অভিনেত্রী। প্রশ্ন উঠেছিল—কেন? সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই সিদ্ধান্তের নেপথ্যের কারণ স্পষ্ট করলেন মিমি নিজেই।অভিনেত্রীর কথায়, রাজনীতি থেকে সরে আসার পর তিনি এখন অনেকটাই স্বস্তিতে। ‘রাজনীতি মানেই বিপুল সময় দিতে হয়। কিন্তু ইন্ডাস্ট্রিতে নিয়মিত কাজ করার পর এতটা সময় আর হাতে থাকে না। আমাকে শুধু কাজ নয়, আমার বাড়ি, বাবা-মা—সবকিছুর দায়িত্ব সামলাতে হয়,’ বলেন মিমি।অনেকের ধারণা, তার হয়ে সব কাজ করে দেওয়ার মতো লোকজন আছেন—এই ভুল ধারণাও ভেঙেছেন তিনি। ‘অনেকে ভাবেন আমি কিছুই করি না, সব কাজ অন্যরা করে দেয়। বাস্তবটা একদম আলাদা। নিজের কাজ নিজেকেই করতে হয়।
এমনকি বাবা যখন আমার কাছে থাকেন, তখন তাঁর ওষুধ, চিকিৎসা—সবকিছুর দায়িত্ব আমারই,’ বলেন অভিনেত্রী।
রাজনীতির বাস্তব চাপের কথাও অকপটে স্বীকার করেন মিমি। বললেন, ‘রাজনীতি মানেই আপনাকে সশরীরে বহু জায়গায় থাকতে হয়। দিনের পর দিন সময় চলে যায়। এখন রাজনীতি থেকে সরে এসে আমি আমার অভিনয় এবং তার সঙ্গে যুক্ত সবকিছুর দিকে অনেক বেশি মন দিতে পারছি।’
জীবনের সীমিত সময় নিয়েও গভীর উপলব্ধির কথা শোনান অভিনেত্রী। ‘জীবনে সময় খুব কম, আর জীবন একটাই। তাই তুমি কী করতে চাও, সেই সিদ্ধান্তটা তোমাকেই নিতে হবে,’—মিমির এই কথাতেই যেন ধরা পড়ে তাঁর জীবনের দর্শন।
রাজনীতি থেকে সরে এলেও অভিনয়ে যে তিনি পুরোপুরি মন দিয়েছেন, তার প্রমাণ মিলছে আসন্ন কাজেই। আগামী ২৩ জানুয়ারি বড় পর্দায় মুক্তি পেতে চলেছে উইন্ডোজ প্রযোজিত প্রথম হরর-কমেডি ছবি ‘ভানুপ্রিয়া ভূতের হোটেল’। অরিত্র মুখোপাধ্যায় পরিচালিত এই ছবিতে এক ঝাঁক তারকার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় থাকছেন মিমি। ছবিটি নিয়ে ইতিমধ্যেই আশাবাদী দর্শক মহল।

আরও পড়ুন