১৫ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

১৪৮ কেন্দ্রের সবগুলোতেই জিতেছেন আফরোজা খানম

অনলাইন ডেস্ক: মানিকগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আফরোজা খানম রিতা ভূমিধ্বস জয় পেয়েছেন। তার সংসদীয় আসনের সবগুলো কেন্দ্রেই জয় পেয়েছেন তিনি। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থীর তুলনায় ১ লাখ ৩ হাজারের বেশি ভোট পেয়ে এই আসনের ইতিহাসে প্রথম নারী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন তিনি। রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা নির্বাচনের ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, আফরোজা খানম পেয়েছেন ১ লাখ ৬৭ হাজার ৩৪৫ ভোট।
তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুহাম্মদ সাঈদ নূর পেয়েছেন ৬৪ হাজার ২৪২ ভোট। বিএনপির বহিষ্কৃত বিদ্রোহী প্রার্থী আতাউর রহমান আতা পেয়েছেন ২০ হাজার ৩৭৫ ভোট। এই আসনে প্রার্থী ছিলেন ৯ জন।মানিকগঞ্জ সদরের ৮টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা এবং সাটুরিয়া উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে ১৫১টি কেন্দ্রে ভোটার ৩ লক্ষ ৯৫ হাজার ৮৫২।তার মধ্যে ২ লক্ষ ৬৮ হাজার ৩৪৩ ভোট প্রদান করেন।
২০০১ সালে বাবা হারুনার রশিদ খাঁনের প্রধান নির্বাচন সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক জীবনের শুরু আফরোজা খানমের। এরপর জেলা ও রাজধানী ঢাকায় দলীয় বিভিন্ন কর্মসূচিতে নেতা-কর্মীদের নিয়ে অংশ নেন তিনি। ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ-২ (হরিরামপুর ও সিঙ্গাইর) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
২০১০ সালে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। পরের বছর ২০১৩ সালে জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পরবর্তী সময়ে ২০২১ সালে দলের কাউন্সিলের মাধ্যমে ৪৫ কাউন্সিলের প্রত্যক্ষ ভোটে ৪২ ভোট পেয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন। গত ২ ফেব্রুয়ারি আফরোজা খানমকে আহ্বায়ক করে জেলা বিএনপির সাত সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করে বিএনপি। তিনি বিএনপির জেলা সাংগঠনিক কমিটির একমাত্র নারী সভাপতি।তিনি বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্যও।
নির্বাচনে জয় পাওয়ার পর নিজের প্রতিক্রিয়া আফরোজা খানম রিতা জানান, দল-মত, ধর্ম-বর্ণের সবাইকে নিয়ে আধুনিক মানিকগঞ্জ হিসেবে গড়ে তোলাই তার লক্ষ্য। তাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করায় সব ভোটারদের ধন্যবাদ জানান তিনি। সেইসঙ্গে সকলের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন নবনির্বাচিত এই সংসদ সদস্য।

আরও পড়ুন