১লা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

নিরাপদ স্থানে সরে গেছেন খামেনি, তেহরানে নেই

অনলাইন ডেস্ক : ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি তেহরানে নেই। তাকে ‘নিরাপদ স্থানে’ স্থানান্তর করা হয়েছে বলে এক ইরানি কর্মকর্তা রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছেন।আজ শনিবার সকালে ইসরায়েল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর আক্রমণ শুরু করে। ইসরায়েল এই হামলাকে ‘পূর্ব-নির্ধারিত আক্রমণ’ (প্রি-এম্পটিভ অ্যাটাক) বলেছে।ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সংস্থার এক সূত্র জানিয়েছে, ‘শিল্ড অফ জুডাহ’ নামক এই হামলার অন্যতম উদ্দেশ্য হবে ‘ইসরায়েলের প্রতি হুমকি দূর করা, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপক এবং মনুষ্যবিহীন বিমান ঘাঁটির ওপর জোর দেওয়া।’আক্রমণের ফলে তেহরানের বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সি জানায়, তারা খবর পেয়েছে, ইরানের রাজধানী তেহরানের রিপাবলিক এলাকায় বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। তেহরানের ইউনিভার্সিটি স্ট্রিট ও জোমহুরি এলাকায় কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।পশ্চিম তেহরানে অবস্থানরত আমাদের সংবাদদাতা দুটি বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন।ইরান তার পুরো আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে। দেশটির সিভিল অ্যাভিয়েশন অরগানাইজেশনের মুখপাত্র মজিদ আকহাভান মেহের সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ ঘোষণা দিয়েছেন।
ইসরায়েলও জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।স্থানীয় সময় শনিবার সকালে ইরানের হামলার শঙ্কায় ইসরায়েল তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির পরিবহন মন্ত্রণালয়।মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, ইরান ড্রোন এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে প্রতিশোধ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করে ইসরায়েলি সরকার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে। ইসরায়েলের হোম ফ্রন্ট কমান্ড জনগণকে কেবল দেশজুড়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনা করার নির্দেশ দিয়েছে। নতুন ঘোষিত বিধিনিষেধগুলিতে জনসমাবেশ, কর্মক্ষেত্রে যাওয়া এবং স্কুলে যাওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে।সূত্র : জেরুজালেম পোস্ট।

 

আরও পড়ুন