২৭শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

নারী ফুটবলের ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন: বাটলারের ভিশনে নতুন দিগন্ত

ক্রীড়া ডেস্ক: বাংলাদেশ নারী ফুটবলের প্রধান কোচ পিটার বাটলার দেশের নারী ফুটবলের উন্নয়নে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করছেন। তার লক্ষ্য— আজকের খেলোয়াড়দের ক্ষমতায়ন করা, যাতে তারা ভবিষ্যতে বাংলাদেশের ফুটবলের নেতৃত্ব দিতে পারে।
এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বাটলার দলে যুক্ত করেছেন রুমকিকে, যিনি বর্তমানে গোলকিপিং কোচ উজ্জ্বল ও ফিটনেস কন্ডিশনিং কোচ ক্যামেরন-এর সহকারী হিসেবে কাজ করছেন। তিনি জিমের অনুশীলন ও অনুবাদের কাজেও সহায়তা করছেন।অন্যদিকে, ডিফেন্ডার শিউলি সম্প্রতি তার ‘বি ডিপ্লোমা’ সম্পন্ন করেছেন, যা বাটলারের প্রচেষ্টাকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।বাটলার বিশ্বাস করেন, নারী ফুটবলে সফল হতে হলে নারী কোচদেরও সামনে আসতে হবে। ‘এই মেয়েরা যত বেশি অভিজ্ঞতা অর্জন করবে, ততই তারা কোচিংয়ের পথে এগিয়ে যেতে পারবে,’ -বলেন বাটলার।তার মতে, কোচিং লাইসেন্স পাওয়া কেবল শুরু।
‘এটা অনেকটা গাড়ি চালানোর মতো— আপনি টেস্ট পাস করেছেন, কিন্তু আসল শেখা শুরু হয় তখনই, যখন আপনি নিজে স্টিয়ারিং হাতে নেন।’নারী কোচদের জাতীয় দলের কাঠামোয় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বাটলারের এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। তিনি তরুণ ফুটবলারদের শেখার সুযোগ বাড়াতে চান, যাতে তারা শুধু খেলোয়াড় হিসেবেই নয়, ভবিষ্যতে কোচ হিসেবেও ভূমিকা রাখতে পারে।
‘এটা এক দারুণ সুযোগ— এই খেলোয়াড়দের ভবিষ্যতের বড় ছবির অংশ হিসেবে বেড়ে ওঠার।আমি বিশ্বাস করি, তরুণ খেলোয়াড়দের দায়িত্ব নিতে শেখাতে হবে, যাতে তারা নারী ফুটবলের ভবিষ্যৎ গড়তে পারে। তবে এজন্য তাদের অভিজ্ঞ কোচদের কাছ থেকে শেখা জরুরি,’ — বলেন বাটলার।বর্তমানে বাটলারের অধীনে রয়েছে ৪৫ জনের বেশি খেলোয়াড়। প্রতিদিনই তাদের সঙ্গে চলছে শেখার ও উন্নতির অনুশীলন।‘এখানে প্রতিটি দিনই শেখার দিন— সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত সেশন চলে।এটা দারুণ এক পরিবেশ, যেখানে খেলোয়াড়দের উচিত প্রতিটি মুহূর্তকে মূল্য দেওয়া,’ — বলেন বাটলার।তার ভাষায়, ‘সবকিছুই তাদের বিকাশের অংশ। আজকের প্রচেষ্টা একদিন নারী ফুটবলের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলবে।’

আরও পড়ুন