অনলাইন ডেস্ক: যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সারাদেশে মুসলমান ধর্মাবলম্বীদের জন্য সৌভাগ্য ও ক্ষমার রাত পবিত্র শবে বরাত পালিত হয়েছে।মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) রাতে মহান আল্লাহ তায়ালার রহমত লাভের আশায় ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা রাতভর ইবাদত-বন্দেগিতে মগ্ন ছিলেন।মহিমান্বিত এই রাতে মহান রাব্বুল আলামিন তাঁর বান্দাদের ভাগ্য নির্ধারণ করেন বলে বিশ্বাস করা হয়। এ কারণে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা মহান আল্লাহর রহমত ও নৈকট্য লাভের আশায় নফল নামাজ আদায়, পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আজকারসহ বিভিন্ন ইবাদত-বন্দেগিতে অংশ নেন।সন্ধ্যার পর থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদে মুসল্লিরা দলে দলে নফল ইবাদতে অংশ নেন। মসজিদগুলোতে বয়ান ও ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মুসল্লিরা চলে যাওয়া স্বজনদের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া করেন। এ রাতে কবরস্থানগুলোতেও অনেক মানুষের ভিড় দেখা যায়।পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে বিশেষ ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, হামদ-না’ত, ওয়াজ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আয়োজনে মাগরিব নামাজের পর ওয়াজ মাহফিলের মধ্য দিয়ে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পবিত্র লাইলাতুল বরাতের অনুষ্ঠানমালা শুরু হয়। ব্যক্তিগত নফল ইবাদত, তওবা ও জিকির-আজকারের জন্য সারারাত মসজিদটি মুসল্লিদের জন্য উন্মুক্ত ছিল।ফজরের নামাজের পর আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শবে বরাতের অনুষ্ঠানমালার সমাপ্তি হয়।আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান।সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে পবিত্র কোরআন ও হাদিসের আলোকে লাইলাতুল বরাতের ফজিলত, গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে ওয়াজ করেন ঢাকার বাদামতলী শাহজাদা লেন জামে মসজিদের খতিব মুফতি মাওলানা নজরুল ইসলাম কাসেমী।এ ছাড়া ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ) আ. ছালাম খানের সভাপতিত্বে রাত সাড়ে ৮টা থেকে পবিত্র কোরআন ও হাদিসের আলোকে লাইলাতুল বরাতের শিক্ষা, করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়ে ওয়াজ করেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন।





