৩০শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতালের উদ্যোগে জন্ম থেকে ১৫ মাসের শিশুদের দৃষ্টিশক্তির সুরক্ষায় প্রশিক্ষণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্যোগে ‘টিকাদানকারীর মাধ্যমে শিশুর প্রাথমিক চক্ষু পরীক্ষা-সুস্থ জীবন ও সুস্থ দৃষ্টির প্রতিশ্রুতি’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো ইপিআই টিকাদানকারীদের মাধ্যমে ০-১৫ মাস বয়সী শিশুদের চোখের সমস্যাগুলো প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা এবং সময়মতো চিকিৎসার আওতায় নিয়ে আসা, যাতে শিশুদের দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষিত থাকে এবং অন্ধত্ব প্রতিরোধ করা যায়।প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী টিকাদানকারীদের শিশুর চোখের বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিতকরণ, পরামর্শ প্রদান এবং প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে রেফার করতে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।


উল্লেখ্য, এই প্রকল্পটি জার্মান এনজিও কাকস্-এর সহযোগিতায় এবং রোটারি ক্লাব অব চট্টগ্রাম খুলশি সেন্ট্রাল এর সমন্বয়ে পরিচালিত হচ্ছে। চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
আয়োজকরা জানান, এই উদ্যোগের মাধ্যমে ০-১৫ মাস বয়সী শিশুদের চক্ষু সেবার পরিধি আরও সম্প্রসারিত হবে এবং প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্ত হওয়ায় জটিলতা অনেকাংশে কমে আসবে।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতালের কনসালটেন্ট ও প্রকল্প আহ্বায়ক ডা. সোমা রানী রায়সহ উপস্থিত ছিলেন ডা. অভিক দে ইমু, ডা. মো. মিজানুর রহমান, ডা. পূজা চৌধুরী, ডা. উম্মে সালমা মুমু, ডা. শারমীন আক্তার, ডা. মো. সাজেদুর রহমান, ডা. প্রতিমা মহাজন এবং ডা. এস. এম. শাহাদাত হোসেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন মো.এসকান্দার হোসেন ওয়াসিম (জুনিয়র অ্যাডমিন অফিসার, আইসিও) ও বোরহান উদ্দিন (সদস্য সচিব)। চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের পরিচালক (চিকিৎসা বিষয়ক) ডা. এ কে এম আশরাফুল করিম এবং সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মীরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি রোটারি ক্লাব অব চট্টগ্রাম খুলশি সেন্ট্রালের ফাস্ট প্রেসিডেন্ট মো. মহিউদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ডা. সোমা রানী রায় এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলায় এই প্রকল্পের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে এবং এটি একটি পাইলট প্রজেক্ট। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে টীকাদানকারিগন শিশুদের চোখের কিছু গুরুত্বপূর্ণ রোগ যা অন্ধত্ব ও মৃত্যুর সাথে সম্পর্কিত সেগুলো সম্পর্কে ধারণা পাবেন এবং শিশুদের অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি সঠিক জায়গায় রেফার করতে পারবেন। মা ও শিশু হাসপাতালে প্রকল্পটির প্রথম প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

 

আরও পড়ুন